সিলেট ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎ডেভিল মামলার আসামীর নেতত্বে প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টায় ভবনে তালা, সাংবাদিকদের নিন্দা


‎

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে তালা দিয়ে দখলে নেওয়ার অপচেষ্টা করছেন নাশকতা মামলায় কারা বরণকারী পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম চৌধুরী ও তার সহযোগিরা। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বৃষ্টি চলাকালীন সময় উপজেলার কথিত সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাদের সাথে নিয়ে তালা দেওয়া ভবনেই পুনরায় তালা দেন তারা। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় শান্তিগঞ্জের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সুধী মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

‎জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাশেম চৌধুরী দীর্ঘদিন নাশকতা ও সহিংসতা মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। মাত্র কিছুদিন আগে প্রায় ৮ মাসা জেলে খেটে তিনি জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বের হয়েই সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ও কয়েকজন পতিত আওয়ামী নেতাদের সাথে নিয়ে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে গিয়ে পেশি শক্তি বলে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এসময় পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা দিলীপ কুমার দাশ ও অপর আওয়ামীলীগ নেতা আবিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় থাকা শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর পিসএস হাসনাত হোসেন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেনের মদদপুষ্ট  নূরুল হক ও  সামিউল কবিরও নের্তৃত্ব দেন। তালা দেওয়ার সময় কথিত সাংবাদিক ওসামন গনি, আহমেদ ওসমান, আলমগীর হোসেন, আতিকুর রহমান রুয়েব, ছালিক আহমদ, খালেদ আহমদ ও মান্নার মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমদ বলেন, পেশি শক্তির প্রভার খাটিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্যই এই অপচেষ্টা করছেন ফ্যাসিস্টের দোসররা। তারা দিবালোকে সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চার জায়গায় আঘাত করছে, তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। একটি স্বাধীন দেশে সাংবাদিকদের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রে এভাবে তালা মেরে দেওয়া সরাসরি বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত। আমরা এই ফ্যাসিস্টসুলভ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎ডেভিল মামলার আসামীর নেতত্বে প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টায় ভবনে তালা, সাংবাদিকদের নিন্দা

সময় ০৯:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬


‎

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে তালা দিয়ে দখলে নেওয়ার অপচেষ্টা করছেন নাশকতা মামলায় কারা বরণকারী পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম চৌধুরী ও তার সহযোগিরা। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বৃষ্টি চলাকালীন সময় উপজেলার কথিত সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাদের সাথে নিয়ে তালা দেওয়া ভবনেই পুনরায় তালা দেন তারা। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় শান্তিগঞ্জের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সুধী মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

‎জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাশেম চৌধুরী দীর্ঘদিন নাশকতা ও সহিংসতা মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। মাত্র কিছুদিন আগে প্রায় ৮ মাসা জেলে খেটে তিনি জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বের হয়েই সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ও কয়েকজন পতিত আওয়ামী নেতাদের সাথে নিয়ে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে গিয়ে পেশি শক্তি বলে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এসময় পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা দিলীপ কুমার দাশ ও অপর আওয়ামীলীগ নেতা আবিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় থাকা শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর পিসএস হাসনাত হোসেন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেনের মদদপুষ্ট  নূরুল হক ও  সামিউল কবিরও নের্তৃত্ব দেন। তালা দেওয়ার সময় কথিত সাংবাদিক ওসামন গনি, আহমেদ ওসমান, আলমগীর হোসেন, আতিকুর রহমান রুয়েব, ছালিক আহমদ, খালেদ আহমদ ও মান্নার মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমদ বলেন, পেশি শক্তির প্রভার খাটিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্যই এই অপচেষ্টা করছেন ফ্যাসিস্টের দোসররা। তারা দিবালোকে সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চার জায়গায় আঘাত করছে, তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। একটি স্বাধীন দেশে সাংবাদিকদের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রে এভাবে তালা মেরে দেওয়া সরাসরি বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত। আমরা এই ফ্যাসিস্টসুলভ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।