সিলেট ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।   

মাধবপুরে ১৮ মামলার আসামি কুদ্দুস মিয়া ২০০ বোতল এস্কুফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার


‎

‎

‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০০ বোতল ভারতীয় আমদানিনিষিদ্ধ নেশাজাতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মাধবপুর থানাধীন ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর সুরমা গোয়াসনগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির  ইনচার্জ এস, এম মাহমুদ হাসান রিপন,এসআই মো. জামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় গোয়াসনগর গ্রামের রজব আলীর ছেলে ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. কুদ্দুস মিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে সিমেন্টের বস্তার ভেতর বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০০ মিলিলিটার পরিমাপের মোট ২০০ বোতল (প্রায় ২০ লিটার) ভারতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই কুদ্দুস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাধবপুর থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতাও একান্তভাবে প্রয়োজন।

‎তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎

মাধবপুরে ১৮ মামলার আসামি কুদ্দুস মিয়া ২০০ বোতল এস্কুফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার

সময় ১০:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬


‎

‎

‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২০০ বোতল ভারতীয় আমদানিনিষিদ্ধ নেশাজাতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপসহ এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে মাধবপুর থানাধীন ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের উত্তর সুরমা গোয়াসনগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির  ইনচার্জ এস, এম মাহমুদ হাসান রিপন,এসআই মো. জামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় গোয়াসনগর গ্রামের রজব আলীর ছেলে ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. কুদ্দুস মিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে সিমেন্টের বস্তার ভেতর বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০০ মিলিলিটার পরিমাপের মোট ২০০ বোতল (প্রায় ২০ লিটার) ভারতীয় এস্কুফ (কোডিন) সিরাপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই কুদ্দুস মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে মাধবপুর থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ১৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাধবপুর থানা এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলমান থাকবে। এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতাও একান্তভাবে প্রয়োজন।

‎তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।