সিলেট ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

‎মৌলভীবাজারে ২০ বছর পর ডাকাতি মামলার রায়: ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি- প্রতীকী।


‎
‎
‎মৌলভীবাজারে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর আলোচিত এক ডাকাতি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ১৩ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (৫ মে) দায়িত্বরত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হকের মাধ্যমে জানা যায়, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।
‎দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলে,মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তাদের সবার বাড়ি কুলাউড়া থানার বিভিন্ন গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন; তাদের সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
‎
‎মামলার বিবরণে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতবাড়িতে ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
‎এ মামলায় ডাকাতির পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগও ছিল। তবে ওই অভিযোগে পৃথক চার্জশিট দেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সংশ্লিষ্ট মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
‎
‎অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, এই রায় একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। ডাকাতি একটি গুরুতর অপরাধ, যা ব্যক্তি ও সমাজে শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

‎মৌলভীবাজারে ২০ বছর পর ডাকাতি মামলার রায়: ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সময় ০৯:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
ছবি- প্রতীকী।


‎
‎
‎মৌলভীবাজারে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর আলোচিত এক ডাকাতি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ১৩ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (৫ মে) দায়িত্বরত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হকের মাধ্যমে জানা যায়, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।
‎দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলে,মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া ও জামাল। তাদের সবার বাড়ি কুলাউড়া থানার বিভিন্ন গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনজন আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন; তাদের সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
‎
‎মামলার বিবরণে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতবাড়িতে ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
‎এ মামলায় ডাকাতির পাশাপাশি ধর্ষণের অভিযোগও ছিল। তবে ওই অভিযোগে পৃথক চার্জশিট দেওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সংশ্লিষ্ট মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
‎
‎অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, এই রায় একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। ডাকাতি একটি গুরুতর অপরাধ, যা ব্যক্তি ও সমাজে শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।