সিলেট ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
বিয়ানীবাজারে সড়ক দর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু বড়লেখায় সাংবাদিক আশফাক আহমেদের বাবার পিতৃবিয়োগ, বড়লেখা প্রেসক্লাবের শোক ‎ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে অবহেলা করলো জুড়ী উপজেলা প্রশাসন! ‎সংস্কৃতি চর্চায় সুনামগঞ্জে ইনস্টিটিউট তৈরি করা হবে: কয়ছর আহমদ শান্তিগঞ্জে নজরুল বর্ষের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম সাংবাদিক-কন্যা নাফিসা‎ গোয়াইনঘাটের নন্দিরগাঁওয়ে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আব্দুল মতিন হবিগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪৬ রোগী ‎নবীগঞ্জে কন্যা শিশু দিবস পালিত, সম্মাননা পেল ৩ শিক্ষার্থীরা শান্তিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স, তথ্য সংগ্রহ শুরু লাখাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু

হবিগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪৬ রোগী


‎হবিগঞ্জে হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৬ জন হাম আক্রান্ত রোগী হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
‎
‎বর্তমানে হাসপাতালটিতে হাম আক্রান্ত মোট ১১৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও হাম ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে মাত্র ২০টি। তবে শয্যার ছেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
‎
‎হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে (১২ অক্টোবর) সোমবার পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ৩ হাজার ৯৮৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৭৬১ জন। গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে ১০৩ জনকে।
‎
‎হঠাৎ করে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকেই বাধ্য হয়ে মেঝে ও সিড়িতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ-প্রতিদিনই হাম রোগে আক্রান্ত মানুষ হাসপাতালে এসে ভর্তি হচ্ছে। অথচ মাত্র ২০টি শয্যা রয়েছে হাসপাতালে। যে কারণে রোগীদেরকে গাদাগাদি করে থার পাশপাশি মেঝে ও সিড়িতে থাকতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করে বলেন- ডাক্তার ও নার্সদের সময় মতো পাওয়া যায় না। তারা কোন কিচ্ছু হলেই বাহির থেকে ঔষুধ কিনে আনতে বলেন। একবারের জায়গা নার্সদের কাছে দুইবার কোন কিছু বুঝতে তারা কর্ণপাত করে না। অনেক নার্সই আবার রোগীদের সঙ্গে অশুভ আচরণ করেন।
‎
‎যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে- রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ওয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বেশিরভাগ রোগি মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

‎হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্তাবধায়ক আমিনুল হক সরকার বলেন-হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তিনি বলেন- আমরা সাধ্যমতো সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। তবে বেশি রোগী থাকায় অনেক সময় তা হয়ে উঠে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ানীবাজারে সড়ক দর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু

হবিগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৪৬ রোগী

সময় ০৫:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


‎হবিগঞ্জে হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৬ জন হাম আক্রান্ত রোগী হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
‎
‎বর্তমানে হাসপাতালটিতে হাম আক্রান্ত মোট ১১৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও হাম ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে মাত্র ২০টি। তবে শয্যার ছেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
‎
‎হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে (১২ অক্টোবর) সোমবার পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ৩ হাজার ৯৮৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৭৬১ জন। গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে ১০৩ জনকে।
‎
‎হঠাৎ করে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। শয্যা না পেয়ে অনেক রোগীকেই বাধ্য হয়ে মেঝে ও সিড়িতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ-প্রতিদিনই হাম রোগে আক্রান্ত মানুষ হাসপাতালে এসে ভর্তি হচ্ছে। অথচ মাত্র ২০টি শয্যা রয়েছে হাসপাতালে। যে কারণে রোগীদেরকে গাদাগাদি করে থার পাশপাশি মেঝে ও সিড়িতে থাকতে হচ্ছে। তারা অভিযোগ করে বলেন- ডাক্তার ও নার্সদের সময় মতো পাওয়া যায় না। তারা কোন কিচ্ছু হলেই বাহির থেকে ঔষুধ কিনে আনতে বলেন। একবারের জায়গা নার্সদের কাছে দুইবার কোন কিছু বুঝতে তারা কর্ণপাত করে না। অনেক নার্সই আবার রোগীদের সঙ্গে অশুভ আচরণ করেন।
‎
‎যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে- রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ওয়ার্ডে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বেশিরভাগ রোগি মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

‎হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্তাবধায়ক আমিনুল হক সরকার বলেন-হাম প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তিনি বলেন- আমরা সাধ্যমতো সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। তবে বেশি রোগী থাকায় অনেক সময় তা হয়ে উঠে না।