
”স্মার্ট স্কাউটিং, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্ত হলো জামালপুর সদর উপজেলার ৪র্থ উপজেলা স্কাউট সমাবেশ-২০২৬। জামালপুর সদর উপজেলার চান্দের হাওড়া, হাজিপুর এলাকার আলীমউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে ১২ অক্টোবর সোমবার পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের সমাবেশে জামালপুরের ৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগীদের হারিয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে কৃতিত্ব অর্জন করেছে দক্ষিণ জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী দিগপাইত বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। পুরস্কার হিসেবে স্কাউট দলটি অর্জন করেছে একটি ‘সাইড ড্রাম’। জেলা স্কাউটের সদস্য ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ওয়াসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
আজ ১২ অক্টোবর (সোমবার) সকালে স্কাউট দলটি অর্জিত সাইড ড্রাম বাজিয়ে আনন্দ-
উল্লাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে বিজয়ী দলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বরণ করে নেন। বিজয়ের আনন্দের জোয়ারে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
স্কাউট দলকে বরণ করে নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তারিকুজ্জামান বিপ্লব ও অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য এস এম জুয়েল রানা। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টু বিজয়ী স্কাউট টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের এই ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার জন্য উৎসাহিত করেন।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তারিকুজ্জামান বিপ্লব বলেন, উপজেলার এত বড় একটি ইভেন্টে ৭৪টি বিদ্যালয়ের সাথে প্রতিযোগিতা করে আমাদের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে এনেছে। এজন্য আমি তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশেষ করে টিম লিডার ও সহকারী শিক্ষক ওয়াসিম উদ্দিনকে তিনি ফুলের মালা পরিয়ে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরও যুক্ত করেন,দিগপাইত ডি কে উচ্চ বিদ্যালয় জামালপুর সদরের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান থেকে অগণিত শিক্ষার্থী বের হয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন। এই অর্জিত বিজয় আমাদের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর। আমরা সবাই মিলে আগামীতে এই বিদ্যালয়ের হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর, ইনশাল্লাহ।
এস আলম, জামালপুর। 

















