সিলেট ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎শিক্ষাবিদ আব্দুল হান্নান চৌধুরী স্মৃতি বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে ভিসি ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, ‎প্রত্যেকের ছেলেমেয়েকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে‎। দুর্গাপূজা উপলক্ষে লাখাইয়ে  বিভিন্ন  পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সাথে   বিএনপি মতবিনিময়‎ ‎জৈন্তাপুরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ‎জামালপুর-ঢাকা মহাসড়কে পিকআপ ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা শান্তিগঞ্জে সেজদারত যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ, বাঁচাতে গিয়ে বাবা আহত ‎শান্তিগঞ্জের জাহানপুরে বিকেএম এর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত ‎ফ্যাসিস্ট ও গুপ্তদের রুখতে নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলে রাখতে হবে: সিলেটে মোনায়েম মুন্না হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ইয়াবা মামলায় তিনজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ, এসআই মাসুদ -কনস্টেবল রহুল ক্লোজড লাখাইয়ে ডিসি রোড থেকে বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী: ‎মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ১৪ নং দিগপাইত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন সোহাগের অঙ্গীকার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ইয়াবা মামলায় তিনজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ, এসআই মাসুদ -কনস্টেবল রহুল ক্লোজড


‎হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে একই পরিবারের তিন সদস্যকে আটকের ঘটনায় ওঠা অভিযোগের পর থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁদের হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
‎
‎পুলিশের ওই দুই সদস্য হলেন চুনারুঘাট থানার এসআই মাসুম আল-মামুন ও কনস্টেবল রহুল আমীন।
‎
‎সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রাফিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে তাঁদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তাঁর মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫) বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাঁদের কাছে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে পুলিশ অভিযোগ করে।
‎
‎তবে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে ছায়েদ মিয়াদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে তাঁদের বিরুদ্ধে ইয়াবা রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
‎
‎ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন। তাঁরা ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। পরে প্রায় সাত ঘণ্টা পর আটক তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‎পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে তিনজনকে আটকের ঘটনায় অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
‎
‎এএসপি মো. রাফিউর রহমান বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কী ঘটেছিল এবং কারও দায়িত্বে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
‎পুলিশের দুই সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার বিষয়টি তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নয়; এটি তদন্ত চলাকালে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎শিক্ষাবিদ আব্দুল হান্নান চৌধুরী স্মৃতি বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে ভিসি ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, ‎প্রত্যেকের ছেলেমেয়েকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে‎।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ইয়াবা মামলায় তিনজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ, এসআই মাসুদ -কনস্টেবল রহুল ক্লোজড

সময় ০৬:৫০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‎হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে একই পরিবারের তিন সদস্যকে আটকের ঘটনায় ওঠা অভিযোগের পর থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁদের হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
‎
‎পুলিশের ওই দুই সদস্য হলেন চুনারুঘাট থানার এসআই মাসুম আল-মামুন ও কনস্টেবল রহুল আমীন।
‎
‎সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রাফিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে তাঁদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুনারুঘাট উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তাঁর মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫) বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাঁদের কাছে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে পুলিশ অভিযোগ করে।
‎
‎তবে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে ছায়েদ মিয়াদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। ওই বিরোধের জের ধরে তাঁদের বিরুদ্ধে ইয়াবা রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
‎
‎ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন। তাঁরা ঘটনার তদন্ত দাবি করেন। পরে প্রায় সাত ঘণ্টা পর আটক তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‎পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে তিনজনকে আটকের ঘটনায় অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
‎
‎এএসপি মো. রাফিউর রহমান বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কী ঘটেছিল এবং কারও দায়িত্বে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
‎পুলিশের দুই সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার বিষয়টি তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নয়; এটি তদন্ত চলাকালে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।