সিলেট ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎১০ নং সুবিদপুর ইউনিয়নকে আদর্শ ও মানবিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার এম সেকুল ইসলাম সরদারের ‎সাংবাদিক সফিকুল হাসান সোহেলের বড় ভাই রফিকুল হাসান রানার ইন্তেকাল ‎নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন হবিগঞ্জে জেলা ভূমি সেবা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড.জি. এম সরফরাজ।। কোম্পানীগঞ্জে ৪৫ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ‎বালাগঞ্জে ব্রীজ নির্মাণে মুখোমুখি গ্রামবাসী। ‎হবিগঞ্জ সীমান্তে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারী আটক দক্ষিণ সুরমায় টিকাদান কর্মসূচি জোরদারে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত, কর্মকর্তাকে ফুল দিয়ে বরণ। ‎সিলেটে রাস্তা সংক্রান্ত বিরোধে ওয়াতির আলী হত্যা: মুন্সিগঞ্জ থেকে মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার বানিয়াচংয়ে চাঞ্চল্যকর সামছুদ্দিন হত্যা,  ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান স্বজনরা
এসআরবি-৯ (সিলেট) ও এসআরবি-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এর যৌথ আভিযানে

‎সিলেটে রাস্তা সংক্রান্ত বিরোধে ওয়াতির আলী হত্যা: মুন্সিগঞ্জ থেকে মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

‎সিলেটের মোগলাবাজারে বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ওয়াতির আলী (৩০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সাহাব উদ্দিন ওরফে সাবুলকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

‎রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬.৫৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানাধীন পুরাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৯ (সিলেট) ও এসআরবি-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

‎গ্রেপ্তারকৃত মোঃ সাহাব উদ্দিন সিলেট জেলার মোগলাবাজার থানাধীন মুক্তারপুর এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে।

‎প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ওয়াতির আলী ও বিবাদীরা পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিবাদীদের সাথে বিরোধ চলছিল।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল ১১ টার সময় রাস্তা নিয়ে ওয়াতির আলীর সাথে সাহাব উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। পরে ওই দিন রাত ১১ টায় বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওয়াতির আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়।

‎স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরদিন ২৯ জুলাই রাত ১২.১৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎এ ঘটনায় নিহত ওয়াতির আলীর চাচা বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-১৩, তারিখ-৩০/০৭/২০২৬, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

‎এসআরবি-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎১০ নং সুবিদপুর ইউনিয়নকে আদর্শ ও মানবিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার এম সেকুল ইসলাম সরদারের

এসআরবি-৯ (সিলেট) ও এসআরবি-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এর যৌথ আভিযানে

‎সিলেটে রাস্তা সংক্রান্ত বিরোধে ওয়াতির আলী হত্যা: মুন্সিগঞ্জ থেকে মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

সময় ০১:০০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‎সিলেটের মোগলাবাজারে বসতবাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ওয়াতির আলী (৩০) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সাহাব উদ্দিন ওরফে সাবুলকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

‎রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬.৫৫ মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানাধীন পুরাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৯ (সিলেট) ও এসআরবি-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।

‎গ্রেপ্তারকৃত মোঃ সাহাব উদ্দিন সিলেট জেলার মোগলাবাজার থানাধীন মুক্তারপুর এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে।

‎প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ওয়াতির আলী ও বিবাদীরা পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিমের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে বিবাদীদের সাথে বিরোধ চলছিল।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ সকাল ১১ টার সময় রাস্তা নিয়ে ওয়াতির আলীর সাথে সাহাব উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। পরে ওই দিন রাত ১১ টায় বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওয়াতির আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা তাকে বাড়ি থেকে বের করে এনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়।

‎স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরদিন ২৯ জুলাই রাত ১২.১৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎এ ঘটনায় নিহত ওয়াতির আলীর চাচা বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-১৩, তারিখ-৩০/০৭/২০২৬, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

‎এসআরবি-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।