সিলেট ০৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।   

‎শান্তিগঞ্জে মাদকসহ জনতার হাতে আটক ১, পুলিশে সোপর্দ



‎
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নে ১ কেজি গাঁজা সহ একজনকে আটক করেছেন জনতা। ইউনিয়নের আসামমুড়া গ্রামের স্কুল প্রাঙ্গন থেকে তাকে আটক করেন গ্রামবাসী।
‎আজ (সোমবার, ৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আটককৃত ব্যক্তি ইউনিয়নের পাথারিয়া গ্রামের জেবেদ আলীর ছেলে শহিদ মিয়া (৪৫)। আটকের পর উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ শহিদের ভিডিও ধারণ করেন জনতা। ভিডিওতে শহিদ জানান, এই গাঁজা আসামমুড়া গ্রামের উজির মাহমুদের ছেলে জিয়াউর রহমান (জিয়া)’র জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
‎
স্থানীয়রা জানান, শহিদ মিয়া গ্রামের মধ্যে সন্দেহজনকভাবে হাটাহাটি করছিলেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে উদ্যত হতেই দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তখন তার হাতে উদ্ধাকৃত পলিথিনের ব্যাগটি ছিলো। পরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ দৌঁড়ে তাকে আটক করেন এবং পলিথিন ব্যাগটিও উদ্ধার করেন। ব্যাগে ১ কেজি গাঁজা পাওয়া গিয়েছে৷ যার ভিডিও স্থানীয় ও এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন আটককৃত শহিদ।
‎
‎গাঁজা উদ্ধারের পর শহিদ মিয়াকে আটক করে রাখেন আসামমুড়া গ্রামবাসী এবং শান্তিগঞ্জ থানায় খবর করেন। খবর পেয়ে এসআই সেলিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেলিমকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন।
‎
‎আসামমুড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক এইচ এম নাছির বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে একদম ‘জিরোটলারেন্স’ অবস্থানে আছি। কোনো অবস্থাতেই মাদক কারবারি ও সেবীদের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। মাদক নির্মুল করতে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আসামমুড়া গ্রামবাসীকে ধন্যবাদ। দারুণ একটি কাজ করেছেন তারা। ‘যেখানে মাদকের থাবা, সেখানে সাধারণ মানুষের এ্যাকশন’- এই নীতিতে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলি উল্লাহ ঘটনার সত্যতার স্বীকার করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎

‎শান্তিগঞ্জে মাদকসহ জনতার হাতে আটক ১, পুলিশে সোপর্দ

সময় ০৭:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬



‎
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নে ১ কেজি গাঁজা সহ একজনকে আটক করেছেন জনতা। ইউনিয়নের আসামমুড়া গ্রামের স্কুল প্রাঙ্গন থেকে তাকে আটক করেন গ্রামবাসী।
‎আজ (সোমবার, ৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আটককৃত ব্যক্তি ইউনিয়নের পাথারিয়া গ্রামের জেবেদ আলীর ছেলে শহিদ মিয়া (৪৫)। আটকের পর উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ শহিদের ভিডিও ধারণ করেন জনতা। ভিডিওতে শহিদ জানান, এই গাঁজা আসামমুড়া গ্রামের উজির মাহমুদের ছেলে জিয়াউর রহমান (জিয়া)’র জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
‎
স্থানীয়রা জানান, শহিদ মিয়া গ্রামের মধ্যে সন্দেহজনকভাবে হাটাহাটি করছিলেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে উদ্যত হতেই দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তখন তার হাতে উদ্ধাকৃত পলিথিনের ব্যাগটি ছিলো। পরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ দৌঁড়ে তাকে আটক করেন এবং পলিথিন ব্যাগটিও উদ্ধার করেন। ব্যাগে ১ কেজি গাঁজা পাওয়া গিয়েছে৷ যার ভিডিও স্থানীয় ও এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন আটককৃত শহিদ।
‎
‎গাঁজা উদ্ধারের পর শহিদ মিয়াকে আটক করে রাখেন আসামমুড়া গ্রামবাসী এবং শান্তিগঞ্জ থানায় খবর করেন। খবর পেয়ে এসআই সেলিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেলিমকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন।
‎
‎আসামমুড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক এইচ এম নাছির বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে একদম ‘জিরোটলারেন্স’ অবস্থানে আছি। কোনো অবস্থাতেই মাদক কারবারি ও সেবীদের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। মাদক নির্মুল করতে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আসামমুড়া গ্রামবাসীকে ধন্যবাদ। দারুণ একটি কাজ করেছেন তারা। ‘যেখানে মাদকের থাবা, সেখানে সাধারণ মানুষের এ্যাকশন’- এই নীতিতে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলি উল্লাহ ঘটনার সত্যতার স্বীকার করেন।