সিলেট ০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।   

শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক নারী ইউপি সদস্য কলম চান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফারুক গ্রেপ্তার‎



‎
‎হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য কলম চান আবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফারুক আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
‎
‎শনিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, হত্যা মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
‎
‎পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন বিকেলে ব্রাহ্মণডোরা গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে সাবেক ইউপি সদস্য কলম চান আবু (প্রায় ৬৫) আহত হন। পরে তাঁকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাবুল মিয়া ২৯ জুন শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফারুক আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়। এজাহারে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফারুক আহমেদ ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।
‎
‎ঘটনার পর পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম বলেছিলেন, প্রাথমিকভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
‎
‎শায়েস্তাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাওছার আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎

শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক নারী ইউপি সদস্য কলম চান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফারুক গ্রেপ্তার‎

সময় ০৭:১৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬



‎
‎হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের সাবেক সংরক্ষিত নারী সদস্য কলম চান আবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফারুক আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
‎
‎শনিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রানিরকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের মৃত শহিদ মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, হত্যা মামলার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
‎
‎পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন বিকেলে ব্রাহ্মণডোরা গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে সাবেক ইউপি সদস্য কলম চান আবু (প্রায় ৬৫) আহত হন। পরে তাঁকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাবুল মিয়া ২৯ জুন শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফারুক আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়। এজাহারে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফারুক আহমেদ ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।
‎
‎ঘটনার পর পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম বলেছিলেন, প্রাথমিকভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
‎
‎শায়েস্তাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাওছার আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।