সিলেট ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎​গোপালপুরে শাখারিয়া সুইচ গেট সংলগ্ন সড়ক মারাত্মক ঝুঁকিতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী

‎


‎গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া সুইচ গেট সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর ভাঙন মাটিক্ষয় এবং সড়কের পাশের অংশ ধসে পড়ার কারণে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে যে কোনো সময় সড়কটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে না, হুমকির মুখে পড়বে বিস্তীর্ণ জনপদ বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং স্থানীয় অর্থনীতি।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায় শাখারিয়া সুইচ গেট এলাকার এই সড়কটি বহু গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী চাকরিজীবী কৃষক ও ব্যবসায়ী এই সড়ক ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। কিন্তু সম্প্রতি রাস্তার বিভিন্ন অংশে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে রাস্তার পাশের মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের ঝুঁকি থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। মাঝে মাঝে সাময়িকভাবে কিছু মেরামত কাজ করা হলেও তা টেকসই না হওয়ায় পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং প্রতিটি বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের মাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

‎স্থানীয় কৃষকরা জানান, সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, আশপাশের হাজার হাজার একর কৃষিজমিও ঝুঁকির মুখে পড়বে। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়বে।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা ব্লক স্থাপন তীর সংরক্ষণ কাজ এবং সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে জরুরি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন। অন্যথায় একটি বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে পারে পুরো এলাকা। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক যাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিস্তীর্ণ জনপদকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।স্থানীয়দের ভাষায়,এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরে আর কিছুই করার থাকবে না। শুধু রাস্তা নয় পুরো এলাকার অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে বলে এলাকাবাসী জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎​গোপালপুরে শাখারিয়া সুইচ গেট সংলগ্ন সড়ক মারাত্মক ঝুঁকিতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী

সময় ১২:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

‎


‎গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া সুইচ গেট সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীর ভাঙন মাটিক্ষয় এবং সড়কের পাশের অংশ ধসে পড়ার কারণে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে যে কোনো সময় সড়কটির বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হবে না, হুমকির মুখে পড়বে বিস্তীর্ণ জনপদ বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং স্থানীয় অর্থনীতি।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায় শাখারিয়া সুইচ গেট এলাকার এই সড়কটি বহু গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী চাকরিজীবী কৃষক ও ব্যবসায়ী এই সড়ক ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেন। কিন্তু সম্প্রতি রাস্তার বিভিন্ন অংশে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে রাস্তার পাশের মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের ঝুঁকি থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। মাঝে মাঝে সাময়িকভাবে কিছু মেরামত কাজ করা হলেও তা টেকসই না হওয়ায় পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং প্রতিটি বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের মাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

‎স্থানীয় কৃষকরা জানান, সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, আশপাশের হাজার হাজার একর কৃষিজমিও ঝুঁকির মুখে পড়বে। কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়বে।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা ব্লক স্থাপন তীর সংরক্ষণ কাজ এবং সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে জরুরি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন। অন্যথায় একটি বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে পারে পুরো এলাকা। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং স্থানীয় সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক যাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিস্তীর্ণ জনপদকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।স্থানীয়দের ভাষায়,এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরে আর কিছুই করার থাকবে না। শুধু রাস্তা নয় পুরো এলাকার অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে বলে এলাকাবাসী জানান।