সিলেট ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

মৌলভীবাজারে হাওর রক্ষা আন্দোলনের মানববন্ধন ও কৃষক প্রতিবাদ সমাবেশ


‎

‎
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বচ্ছ তালিকার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান, অকাল বন্যা প্রতিরোধে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রাণ-আরএফএল, ইসলাম এগ্রোভেটসহ বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির হাওর দখল ও শিল্পায়নের অপচেষ্টা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও কৃষক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সামনে হাওর রক্ষা আন্দোলন, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎আ স ম ছালেহ সোহেলের সভাপতিত্বে এবং এম খছরু চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রনজিৎ দেবনাথ, সৈয়দ কামাল আহমদ বাবু, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ খায়রুল ইসলাম, শাহীন ইকবাল, হোসাইন আহমদ, সোনা মিয়া, শিপন মিয়া ও দেওয়ান মুনাকিব চৌধুরীসহ হাওরপাড়ের কৃষক নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন,বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে হাওরাঞ্চলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালে হাওর দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডারে পরিণত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ শস্যভাণ্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখে। অথচ সরকারি অবহেলা এবং প্রভাবশালী মহলের দখল-দূষণের কারণে কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওর অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।
‎
‎সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, শিল্পায়নের নামে প্রাণ-আরএফএল, ইসলাম এগ্রোভেটসহ বিভিন্ন কোম্পানি হাওরের ভূমি ও জলাভূমি দখলের চেষ্টা করছে। ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন, জলাভূমি ভরাট এবং পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই হাওরের মাঝখানে পরিবেশবিধ্বংসী শিল্পায়ন ও অবৈধ দখল মেনে নেওয়া হবে না।
‎
‎বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় হাজার হাজার একর পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে নানা অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষক, বর্গাচাষী ও দিনমজুরদের অনেকেই ক্ষতিপূরণের তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
‎
‎সমাবেশ থেকে অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওরকে সংরক্ষিত জলাভূমি ঘোষণা এবং হাওর দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
‎
‎পরিশেষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবও মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর দুটি পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

মৌলভীবাজারে হাওর রক্ষা আন্দোলনের মানববন্ধন ও কৃষক প্রতিবাদ সমাবেশ

সময় ০৭:৩৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


‎

‎
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বচ্ছ তালিকার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ প্রদান, অকাল বন্যা প্রতিরোধে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রাণ-আরএফএল, ইসলাম এগ্রোভেটসহ বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির হাওর দখল ও শিল্পায়নের অপচেষ্টা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও কৃষক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সামনে হাওর রক্ষা আন্দোলন, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎আ স ম ছালেহ সোহেলের সভাপতিত্বে এবং এম খছরু চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রনজিৎ দেবনাথ, সৈয়দ কামাল আহমদ বাবু, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ খায়রুল ইসলাম, শাহীন ইকবাল, হোসাইন আহমদ, সোনা মিয়া, শিপন মিয়া ও দেওয়ান মুনাকিব চৌধুরীসহ হাওরপাড়ের কৃষক নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন,বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতিতে হাওরাঞ্চলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালে হাওর দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্যভাণ্ডারে পরিণত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ শস্যভাণ্ডার হিসেবে ভূমিকা রাখে। অথচ সরকারি অবহেলা এবং প্রভাবশালী মহলের দখল-দূষণের কারণে কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওর অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।
‎
‎সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, শিল্পায়নের নামে প্রাণ-আরএফএল, ইসলাম এগ্রোভেটসহ বিভিন্ন কোম্পানি হাওরের ভূমি ও জলাভূমি দখলের চেষ্টা করছে। ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন, জলাভূমি ভরাট এবং পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই হাওরের মাঝখানে পরিবেশবিধ্বংসী শিল্পায়ন ও অবৈধ দখল মেনে নেওয়া হবে না।
‎
‎বক্তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় হাজার হাজার একর পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে নানা অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষক, বর্গাচাষী ও দিনমজুরদের অনেকেই ক্ষতিপূরণের তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
‎
‎সমাবেশ থেকে অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত করে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওরকে সংরক্ষিত জলাভূমি ঘোষণা এবং হাওর দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
‎
‎পরিশেষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবও মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবর দুটি পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।