সিলেট ০৩:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।   

‎টাঙ্গাইলে বিএনপিতে বড় ধাক্কা: সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান আজাদসহ ৩ শীর্ষ নেতা বহিষ্কার


‎

‎

‎

‎দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ তিন হেভিওয়েট নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

‎বহিষ্কৃত নেতারা হলেন,বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল।

‎

‎বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মূলত দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ‘স্বতন্ত্র’ পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়াই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‎

‎নির্বাচন কমিশন ও দলীয় সূত্র অনুযায়ী, বহিষ্কৃত এই তিন নেতা টাঙ্গাইলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন,টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) লুৎফর রহমান খান আজাদ ও  টাঙ্গাইল-৫ (সদর) এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

‎

‎নির্বাচনের আগমুহূর্তে জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মতো হেভিওয়েট নেতাদের বহিষ্কারের ঘটনায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার আপস করা হবে না।

‎

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎

‎টাঙ্গাইলে বিএনপিতে বড় ধাক্কা: সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান আজাদসহ ৩ শীর্ষ নেতা বহিষ্কার

সময় ১২:০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬


‎

‎

‎

‎দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ তিন হেভিওয়েট নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

‎বহিষ্কৃত নেতারা হলেন,বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল।

‎

‎বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মূলত দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ‘স্বতন্ত্র’ পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়াই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‎

‎নির্বাচন কমিশন ও দলীয় সূত্র অনুযায়ী, বহিষ্কৃত এই তিন নেতা টাঙ্গাইলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন,টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) লুৎফর রহমান খান আজাদ ও  টাঙ্গাইল-৫ (সদর) এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

‎

‎নির্বাচনের আগমুহূর্তে জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মতো হেভিওয়েট নেতাদের বহিষ্কারের ঘটনায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার আপস করা হবে না।

‎

‎