সিলেট ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

মৌলভীবাজারের-শেরপুর সড়কের নিচ দিয়ে অপরিকল্পিত পাইপ স্থাপন, দেবে যাওয়ার চরম ঝুঁকি

‎রাস্তার নিচে মাটি খুঁড়ে পাইপ বসানো হয়। ঝুঁকিতে আঞ্চলিক মহা সড়ক।


‎

‎
‎মৌলভীবাজারের শেরপুর–মৌলভীবাজার আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে কোনো ধরনের প্রকৌশলগত পরিকল্পনা বা যথাযথ অনুমতি ছাড়াই পাইপ স্থাপন করায় সড়ক দেবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাতারাতি এ কাজ সম্পন্ন করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো তদারকি ছিল না।
‎সরেজমিনে দেখা যায়,শেরপুর বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে অক্সি রোডের পাশে আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে প্রায় ৩ ফুট প্রস্থের একটি পাইপ বসানো হয়েছে। তবে পাইপ স্থাপনের পর মাটি ভরাট, কমপ্যাকশন বা চাপসহনশীলতা পরীক্ষার কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় যেকোনো মুহূর্তে সড়ক ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা ও সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাসেল বলেন, এটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি বসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
‎
‎সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে এ ধরনের স্থাপনা বসাতে হলে আগাম অনুমোদন, প্রকৌশল নকশা অনুমোদন এবং প্রকৌশলীর সরাসরি তদারকি বাধ্যতামূলক। তবে কার অনুমতিতে বা আদৌ অনুমতি নিয়ে কাজটি করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কেউ কিছু জানাতে পারেনি।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, পাইপ স্থাপনের কাজে দায়িত্বে থাকা আশরাফ আহমদ (স্থানীয়ভাবে ‘চেয়ারম্যান আশরাফ’ নামে পরিচিত)–এর লোকজন দ্রুত কাজ শেষ করতে গিয়ে নিরাপত্তা ও মানদণ্ডের তোয়াক্কা করেননি। এতে করে পুরো সড়কটির কাঠামোগত স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে।
‎
‎নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, সড়ক ব্যবস্থাপনায় এমন অবহেলা অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ভেঙে পড়তে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং প্রকৌশলগত ভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পাইপ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
‎এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী আশরাফ আহমদ (স্থানীয়ভাবে ‘চেয়ারম্যান আশরাফ’ নামে পরিচিত) দাবি করেন, তিনি মন্ত্রণালয় থেকে সড়কের নিচ দিয়ে পাইপ স্থাপনের অনুমতি নিয়েছেন। তবে এ সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
‎
‎এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

মৌলভীবাজারের-শেরপুর সড়কের নিচ দিয়ে অপরিকল্পিত পাইপ স্থাপন, দেবে যাওয়ার চরম ঝুঁকি

সময় ০৬:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

‎রাস্তার নিচে মাটি খুঁড়ে পাইপ বসানো হয়। ঝুঁকিতে আঞ্চলিক মহা সড়ক।


‎

‎
‎মৌলভীবাজারের শেরপুর–মৌলভীবাজার আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে কোনো ধরনের প্রকৌশলগত পরিকল্পনা বা যথাযথ অনুমতি ছাড়াই পাইপ স্থাপন করায় সড়ক দেবে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাতারাতি এ কাজ সম্পন্ন করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো তদারকি ছিল না।
‎সরেজমিনে দেখা যায়,শেরপুর বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে অক্সি রোডের পাশে আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে প্রায় ৩ ফুট প্রস্থের একটি পাইপ বসানো হয়েছে। তবে পাইপ স্থাপনের পর মাটি ভরাট, কমপ্যাকশন বা চাপসহনশীলতা পরীক্ষার কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় যেকোনো মুহূর্তে সড়ক ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা ও সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাসেল বলেন, এটা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি বসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
‎
‎সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আঞ্চলিক সড়কের নিচ দিয়ে এ ধরনের স্থাপনা বসাতে হলে আগাম অনুমোদন, প্রকৌশল নকশা অনুমোদন এবং প্রকৌশলীর সরাসরি তদারকি বাধ্যতামূলক। তবে কার অনুমতিতে বা আদৌ অনুমতি নিয়ে কাজটি করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কেউ কিছু জানাতে পারেনি।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, পাইপ স্থাপনের কাজে দায়িত্বে থাকা আশরাফ আহমদ (স্থানীয়ভাবে ‘চেয়ারম্যান আশরাফ’ নামে পরিচিত)–এর লোকজন দ্রুত কাজ শেষ করতে গিয়ে নিরাপত্তা ও মানদণ্ডের তোয়াক্কা করেননি। এতে করে পুরো সড়কটির কাঠামোগত স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে।
‎
‎নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, সড়ক ব্যবস্থাপনায় এমন অবহেলা অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ভেঙে পড়তে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং প্রকৌশলগত ভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পাইপ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
‎এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী আশরাফ আহমদ (স্থানীয়ভাবে ‘চেয়ারম্যান আশরাফ’ নামে পরিচিত) দাবি করেন, তিনি মন্ত্রণালয় থেকে সড়কের নিচ দিয়ে পাইপ স্থাপনের অনুমতি নিয়েছেন। তবে এ সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
‎
‎এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।