সিলেট ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

৫২ বিজিবি’র অধিনায়কের অভিযানে ভারতীয় জিরা জব্দ


‎

‎
‎৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজারের চলমান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ হাজার ৮ শত কেজি ভারতীয় জিরা এবং ১ হাজার ৩ শত ৫০ কেজি বাংলাদেশী ধান জব্দ করা হয়েছে। উক্ত ভারতীয় জিরা ও ধান এর সিজার মূল্য ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৫ শত টাকা।
‎
‎জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজার এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক চোরাচালান অভিযানের অংশ হিসেবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজারের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আতাউর রহমান এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত হতে আনুমানিক ০৪ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলাধীন দোবাগ ইউনিয়নের দোবাগ মোড় নামক স্থান হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ হাজার ৮ শত কেজি ভারতীয় জিরা এবং ১ হাজার ৩ শত ৫০ কেজি বাংলাদেশী ধান জব্দ করা হয়েছে। উক্ত ভারতীয় জিরা ও ধান এর সিজার মূল্য ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৫ শত টাকা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎
‎৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, বিয়ানীবাজারের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আতাউর রহমান বলেন, পণ্য চোরাচালান জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, যার ফলে দেশীয় বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হয়, সরকার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধমূলক চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, সীমান্তে নিয়মিত টহল, জোরদার গোয়েন্দা তৎপরতা ও কার্যকর চেকপোস্ট পরিচালনার মাধ্যমে বিজিবি তার অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
‎এ সময় বিজিবির মহাপরিচালকের ঘোষিত নির্দেশনা বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্দেশনা অনুসরণ করে সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চিতে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জনে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
‎
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

৫২ বিজিবি’র অধিনায়কের অভিযানে ভারতীয় জিরা জব্দ

সময় ১০:১২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬


‎

‎
‎৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজারের চলমান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ হাজার ৮ শত কেজি ভারতীয় জিরা এবং ১ হাজার ৩ শত ৫০ কেজি বাংলাদেশী ধান জব্দ করা হয়েছে। উক্ত ভারতীয় জিরা ও ধান এর সিজার মূল্য ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৫ শত টাকা।
‎
‎জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজার এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক চোরাচালান অভিযানের অংশ হিসেবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন বিয়ানীবাজারের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ আতাউর রহমান এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত হতে আনুমানিক ০৪ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলাধীন দোবাগ ইউনিয়নের দোবাগ মোড় নামক স্থান হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ হাজার ৮ শত কেজি ভারতীয় জিরা এবং ১ হাজার ৩ শত ৫০ কেজি বাংলাদেশী ধান জব্দ করা হয়েছে। উক্ত ভারতীয় জিরা ও ধান এর সিজার মূল্য ৭২ লাখ ৪০ হাজার ৫ শত টাকা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎
‎৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, বিয়ানীবাজারের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আতাউর রহমান বলেন, পণ্য চোরাচালান জাতীয় অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, যার ফলে দেশীয় বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হয়, সরকার ন্যায্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধমূলক চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, সীমান্তে নিয়মিত টহল, জোরদার গোয়েন্দা তৎপরতা ও কার্যকর চেকপোস্ট পরিচালনার মাধ্যমে বিজিবি তার অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
‎এ সময় বিজিবির মহাপরিচালকের ঘোষিত নির্দেশনা বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্দেশনা অনুসরণ করে সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চিতে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জনে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
‎
‎