সিলেট ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎নবীগঞ্জে মিষ্টির ওজন নিয়ে বিরোধ, দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক‎

সংঘর্ষের পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি।



‎
‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী বাজারে মিষ্টির ওজন কম দেওয়া নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
‎
‎শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ও বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী বাজারের ‘ভাই ভাই রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড সুইটমিট’ থেকে মিষ্টি ক্রয় করেন কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের শাইস্তানগর গ্রামের দুবাইপ্রবাসী বদরুল মিয়া।
‎অভিযোগ রয়েছে, দোকানের মালিক বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া ইউনিয়নের সন্দলপুর গ্রামের আমির উদ্দিন মিষ্টির প্রতি কেজিতে প্রায় ২৫০ গ্রাম করে ওজনে কম দেন!
‎
‎এ ঘটনায় দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে স্থানীয়রা তা মীমাংসা করে দেন। তবে পরে বদরুল মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) বিষয়টি পোস্ট করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
‎

রাস্তায় পড়ে আছে সংঘর্ষে ব্যবহৃত ইট পাটকেল।


‎শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আমির উদ্দিনসহ কয়েকজন যুবক বদরুল মিয়াকে একা পেয়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে বদরুল মিয়ার আত্মীয়স্বজন ও কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। অপরদিকে সন্দলপুর, শ্রীমতপুর, তাজপুর, খাগাউড়া, হরিপুর ও লহরজপুরসহ আশপাশের গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে জড়ান।
‎
‎একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
‎এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের অনেকেই হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
‎
‎সংঘর্ষের খবর পেয়ে নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎নবীগঞ্জে মিষ্টির ওজন নিয়ে বিরোধ, দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক‎

সময় ১১:২৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

সংঘর্ষের পর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি।



‎
‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী বাজারে মিষ্টির ওজন কম দেওয়া নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
‎
‎শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ও বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী বাজারের ‘ভাই ভাই রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড সুইটমিট’ থেকে মিষ্টি ক্রয় করেন কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের শাইস্তানগর গ্রামের দুবাইপ্রবাসী বদরুল মিয়া।
‎অভিযোগ রয়েছে, দোকানের মালিক বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া ইউনিয়নের সন্দলপুর গ্রামের আমির উদ্দিন মিষ্টির প্রতি কেজিতে প্রায় ২৫০ গ্রাম করে ওজনে কম দেন!
‎
‎এ ঘটনায় দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে স্থানীয়রা তা মীমাংসা করে দেন। তবে পরে বদরুল মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) বিষয়টি পোস্ট করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
‎

রাস্তায় পড়ে আছে সংঘর্ষে ব্যবহৃত ইট পাটকেল।


‎শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আমির উদ্দিনসহ কয়েকজন যুবক বদরুল মিয়াকে একা পেয়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে বদরুল মিয়ার আত্মীয়স্বজন ও কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। অপরদিকে সন্দলপুর, শ্রীমতপুর, তাজপুর, খাগাউড়া, হরিপুর ও লহরজপুরসহ আশপাশের গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে জড়ান।
‎
‎একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
‎এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের অনেকেই হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
‎
‎সংঘর্ষের খবর পেয়ে নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎
‎