
নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধের আহ্বানে জামালপুর সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়নে পালিত হলো ‘আন্তর্জাতিক শিশুকন্যা দিবস’। রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। এবারের আয়োজনের মূল আহ্বান ছিল— “আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধ করি”।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সচেতনতামূলক র্যালি, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সভা এবং শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর ডিজিটাল ভায়োলেন্স বা সহিংসতা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এটি প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

জেসমিন প্রকল্পের (কেন্দুয়া) কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর মাসুদ রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জেসমিন প্রকল্পের সাব-ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর সুজিত সিসিম এবং জেন্ডার ডিআরআর অ্যান্ড সিসি অফিসার মোছা. সাদেকা বেগম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন সমাজকর্মী, জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা ও সূর্য তোরণ সমাজসেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম এবং প্যানেল চেয়ারম্যান আঁখি আক্তার।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে জেসমিন প্রকল্পের উৎপাদক দলের সদস্য, স্থানীয় কন্যাশিশু, কিশোর-কিশোরী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, ইমাম, ইউপি সদস্য, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় এবং অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (ANCP) অর্থায়নে ‘জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (GESMIN)’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সংঘ যৌথভাবে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন করছে।
উল্লেখ্য, জেসমিন প্রকল্পটি মূলত ANCP-এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত এনএসভিসি প্রকল্পের (২০১৮-২০২৩) বর্ধিত অংশ হিসেবে ২০২৩ সাল থেকে জামালপুর সদর, মেলান্দহ, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় নারী ক্ষমতায়ন ও পুষ্টি উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
মোঃ খোরশেদ আলম, জামালপুর 


















