
হবিগঞ্জ-লাখাই রোডে চলাচলকারী ‘দিগন্ত’ পরিবহনের বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যাত্রী সাধারণের সাথে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে চালক ও হেল্পারের বাগ্বিতণ্ডা এবং অশোভন আচরণের খবর পাওয়া গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় যাত্রী সাধারণের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সিলেট-জ ১১-০৮৬৫ নম্বর সম্বলিত দিগন্ত পরিবহনের ড্রাইভার রিপন মিয়ার বাসে বাড়তি ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে হেল্পার ও যাত্রীদের মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হয়। এতে নিরুপায় হয়ে যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ টাকা গুণতে বাধ্য হন। যেমন— বুল্লা বাজার থেকে শালদীঘা এবং কালাউক বাজার পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাড়া ৫ টাকা হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা।

মনতৈল গ্রামের যাত্রী সুয়েল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আমরা প্রতিদিনই বুল্লা বাজার থেকে কালাউক বাজার ৫ টাকায় যাতায়াত করি। কিন্তু আজ হঠাৎ করেই ড্রাইভার-হেল্পার ১০ টাকা দাবি করে বসেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ১০ টাকাই দিতে হয়েছে।
একই গাড়ির যাত্রী নোয়াগ্রামের খাইরুল মিয়া, ভাদিকারা গ্রামের আশরাফ উদ্দিন এবং ধর্মপুর গ্রামের নজরুল ইসলামও অনুরূপ অভিযোগ করেন। তাঁরা জানান, তাঁদের কাছ থেকেও নিয়মবহির্ভূতভাবে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চালক রিপন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, তেলের দাম বাড়ার কারণেই ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। তবে ভাড়া বৃদ্ধির কোনো অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত বা অনুমতি আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি স্বীকার করেন, মালিকপক্ষ বা প্রশাসনের কাছ থেকে এখনো তাঁরা ভাড়া বাড়ানোর কোনো অনুমতি পাননি।
অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কেন অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে, এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ড্রাইভার রিপন মিয়া।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাধারণ যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে এ রুটে অবৈধ ভাড়া আদায় অবিলম্বে বন্ধ করা হয়।
বিল্লাল আহমেদ, লাখাই প্রতিনিধি 













