সিলেট ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন
‎লেখক সাহিত্যিকদের মিলন মেলা...

স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ সময় ও সাংবাদিকতার এক ‎গুরুত্বপূর্ণ দলিল॥ ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক


‎সিলেটের জিন্দাবাজারস্থ অভ্র প্রকাশনীর ‘অভ্র সেন্টারে’ আজ সন্ধ্যা ৭টায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আবহে বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক চিন্ময় আচার্যের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্মৃতির পথে ৪৮ বছর’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ মদন মোহন সরকারি কলেজে সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ। লেখক ও সাংবাদিক মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও গ্রন্থের প্রকাশক অপূর্ব শর্মার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল।

‎অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক ও লেখক অনুবাদক মিহির কান্তি চৌধুরী।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল বলেন,বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক চিন্ময় আচার্য রচিত ‘স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ শুধু একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা নয়; এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের সাংবাদিকতা, সমাজ, মানুষ ও সময়ের পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

‎সংবাদপত্র হলো সমাজের দর্পণ বা আয়না এবং সাংবাদিকরা হলেন এই সমাজের কারিগর। সমাজের বস্তুনিষ্ঠ সত্য তুলে ধরাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।

‎লেখক চিন্ময় আচার্যের সঙ্গে নিজের কর্মজীবনের স্মৃতিকথা স্মরণ করে উপাচার্য বলেন,আমি হবিগঞ্জের মানুষ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক চিন্ময় আচার্য ও আমি সহকর্মী ছিলাম। হবিগঞ্জের বহুল প্রচারিত ‘দৈনিক খোয়াই’ পত্রিকায় তিনি বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনার তিনি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।

‎তিনি বলেন, ‘স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ গ্রন্থটির বিশেষত্ব হলো এতে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি মানুষের হাসি-কান্না, বন্ধুত্ব, সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারিবারিক আবেগ এবং জীবনের নানা সংকট ও বাস্তবতার কথাও উঠে এসেছে। লেখক তাঁর সাফল্যের পাশাপাশি জীবনের দ্বিধা, সীমাবদ্ধতা ও আত্মসমীক্ষার কথাও আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছেন।

‎সংবাদপত্রের গুরুত্ব ও আঞ্চলিক সাংবাদিকতার নানা দিক তুলে ধরে তিনি একটি বাস্তব অভিজ্ঞতার গল্প শেয়ার করেন। তিনি জানান, একবার এক পর্যটক শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জের ১৪টি স্থানীয় পত্রিকা কিনেছিলেন। কিন্তু পত্রিকাগুলোর পাতায় কেবল খুনখারাপি ও সংঘাতের খবর দেখে ভয়ে তিনি আর হবিগঞ্জে না নেমে সরাসরি পরের ট্রেনে সিলেটে চলে যান। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, অপরাধ বা সংঘাত পৃথিবীর সব দেশেই ঘটে, এমনকি ইউকে বা আমেরিকার মতো উন্নত দেশেও কিশোর গ্যাং ও ক্রাইম রয়েছে। তবে মফস্বল সাংবাদিকদের বহুমুখী বিষয়ে জানতে হয় এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হয়।

‎সিলেটে সিভিল সোসাইটির ভূমিকা সম্পর্কে তিনি প্রয়াত প্রখ্যাত সাংবাদিক আমিনুর রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টেনে বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সিলেট সফরে এসে আমিনুর রশীদ চৌধুরীর বাসায় অতিথি হয়েছিলেন। এতেই বোঝা যায় তৎকালীন সিলেটের সুশীল সমাজ কতটা সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ছিল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিলেটের ঝিমিয়ে পড়া সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে ‘অভ্র সেন্টার’ গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। একইসঙ্গে তিনি সকলকে নিজের জীবনসংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মজীবনী লেখার আহ্বান জানান।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আমন্ত্রিত গুণীজনদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, লেখক ও সংস্কৃতিজন এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এসআইইউ)-এর ইংরেজি বিভাগের প্রধান প্রনব কান্তি দেব, লেখক প্রফেসর স্বপন নাথ, কবি ও ব্যাংকার সুমন বণিক, সহকারী অধ্যাপক হিমাংশু রঞ্জন দাস, ‘অনলাইন সিলেট’ সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাকিম আহম্মদ কাওছার, সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন, কবি রাহনামা সাব্বির চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক হাসিনা ফেরদৌস, প্রিন্সিপাল সেনুয়ারা আক্তার চিনু, কবি ও সংগঠক রওশনারা বাঁসি, চিত্রশিল্পী আবদুল মালিক, ছড়াকার অজিত রায় ভজন, প্রভাষক রাজিব আচার্য ও দিলীপ চক্রবর্তী।

‎এছাড়াও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী সৌরভ গোপ, মোহাম্মদ তোহা, নারীনেত্রী রুনা সুলতানা, মহিবুর রহমানসহ সিলেটের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‎আলোচনা সভা শেষে শিল্পী বিমান তালুকদারের মনোজ্ঞ সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎লেখক সাহিত্যিকদের মিলন মেলা...

স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ সময় ও সাংবাদিকতার এক ‎গুরুত্বপূর্ণ দলিল॥ ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

সময় ১২:১১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬


‎সিলেটের জিন্দাবাজারস্থ অভ্র প্রকাশনীর ‘অভ্র সেন্টারে’ আজ সন্ধ্যা ৭টায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আবহে বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক চিন্ময় আচার্যের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্মৃতির পথে ৪৮ বছর’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ মদন মোহন সরকারি কলেজে সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ। লেখক ও সাংবাদিক মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও গ্রন্থের প্রকাশক অপূর্ব শর্মার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল।

‎অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক ও লেখক অনুবাদক মিহির কান্তি চৌধুরী।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল বলেন,বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক চিন্ময় আচার্য রচিত ‘স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ শুধু একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা নয়; এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের সাংবাদিকতা, সমাজ, মানুষ ও সময়ের পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

‎সংবাদপত্র হলো সমাজের দর্পণ বা আয়না এবং সাংবাদিকরা হলেন এই সমাজের কারিগর। সমাজের বস্তুনিষ্ঠ সত্য তুলে ধরাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।

‎লেখক চিন্ময় আচার্যের সঙ্গে নিজের কর্মজীবনের স্মৃতিকথা স্মরণ করে উপাচার্য বলেন,আমি হবিগঞ্জের মানুষ। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক চিন্ময় আচার্য ও আমি সহকর্মী ছিলাম। হবিগঞ্জের বহুল প্রচারিত ‘দৈনিক খোয়াই’ পত্রিকায় তিনি বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনার তিনি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।

‎তিনি বলেন, ‘স্মৃতির পথে আটচল্লিশ বছর’ গ্রন্থটির বিশেষত্ব হলো এতে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি মানুষের হাসি-কান্না, বন্ধুত্ব, সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারিবারিক আবেগ এবং জীবনের নানা সংকট ও বাস্তবতার কথাও উঠে এসেছে। লেখক তাঁর সাফল্যের পাশাপাশি জীবনের দ্বিধা, সীমাবদ্ধতা ও আত্মসমীক্ষার কথাও আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছেন।

‎সংবাদপত্রের গুরুত্ব ও আঞ্চলিক সাংবাদিকতার নানা দিক তুলে ধরে তিনি একটি বাস্তব অভিজ্ঞতার গল্প শেয়ার করেন। তিনি জানান, একবার এক পর্যটক শায়েস্তাগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জের ১৪টি স্থানীয় পত্রিকা কিনেছিলেন। কিন্তু পত্রিকাগুলোর পাতায় কেবল খুনখারাপি ও সংঘাতের খবর দেখে ভয়ে তিনি আর হবিগঞ্জে না নেমে সরাসরি পরের ট্রেনে সিলেটে চলে যান। এ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, অপরাধ বা সংঘাত পৃথিবীর সব দেশেই ঘটে, এমনকি ইউকে বা আমেরিকার মতো উন্নত দেশেও কিশোর গ্যাং ও ক্রাইম রয়েছে। তবে মফস্বল সাংবাদিকদের বহুমুখী বিষয়ে জানতে হয় এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হয়।

‎সিলেটে সিভিল সোসাইটির ভূমিকা সম্পর্কে তিনি প্রয়াত প্রখ্যাত সাংবাদিক আমিনুর রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টেনে বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সিলেট সফরে এসে আমিনুর রশীদ চৌধুরীর বাসায় অতিথি হয়েছিলেন। এতেই বোঝা যায় তৎকালীন সিলেটের সুশীল সমাজ কতটা সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ছিল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিলেটের ঝিমিয়ে পড়া সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে ‘অভ্র সেন্টার’ গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। একইসঙ্গে তিনি সকলকে নিজের জীবনসংগ্রাম ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মজীবনী লেখার আহ্বান জানান।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আমন্ত্রিত গুণীজনদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, লেখক ও সংস্কৃতিজন এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এসআইইউ)-এর ইংরেজি বিভাগের প্রধান প্রনব কান্তি দেব, লেখক প্রফেসর স্বপন নাথ, কবি ও ব্যাংকার সুমন বণিক, সহকারী অধ্যাপক হিমাংশু রঞ্জন দাস, ‘অনলাইন সিলেট’ সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাকিম আহম্মদ কাওছার, সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন, কবি রাহনামা সাব্বির চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক হাসিনা ফেরদৌস, প্রিন্সিপাল সেনুয়ারা আক্তার চিনু, কবি ও সংগঠক রওশনারা বাঁসি, চিত্রশিল্পী আবদুল মালিক, ছড়াকার অজিত রায় ভজন, প্রভাষক রাজিব আচার্য ও দিলীপ চক্রবর্তী।

‎এছাড়াও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী সৌরভ গোপ, মোহাম্মদ তোহা, নারীনেত্রী রুনা সুলতানা, মহিবুর রহমানসহ সিলেটের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

‎আলোচনা সভা শেষে শিল্পী বিমান তালুকদারের মনোজ্ঞ সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

‎