সিলেট ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

সত্যের পক্ষে কলম ধরার অপরাধে সাংবাদিককে হেয় প্রতিপন্নের চেষ্টা সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে



‎টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী লৌহজং নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দা দের কে অবৈধভাবে তাদের থেকে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক মোহাম্মদ সাজিদ পিয়ালকে সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত একদল চাঁদাবাজ ও স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

‎জানা যায়, লৌহজং নদীকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম চাঁদাবাজির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্নচাঁদাবাজ ও দালাল মহল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর থেকেই একটি বেনামি ফেসবুক পেজ থেকে সাংবাদিক মোহাম্মদ সাজিদ পিয়ালের ছবি বিকৃত করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে।

‎পাশাপাশি কুরুচিপূর্ণ ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ মানহানিকর মন্তব্য এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিক মহলের অভিযোগ এটি শুধু একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নয় বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ। কারণ একজন সংবাদকর্মী যখন জনস্বার্থে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, তখন তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা সামাজিকভাবে হেয় করে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি!

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক পিয়াল জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও অভিযোগ দায়েরের প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ‎এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

‎এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে একজন সাংবাদিক যদি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কলম ধরার কারণে ধারাবাহিকভাবে হয়রানির শিকার হন এবং অপরাধীরা যদি দীর্ঘ সময় ধরেও আইনের আওতায় না আসে তাহলে সমাজে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ কীভাবে সোচ্চার হবে?

‎গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার হয়রানি মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায় সত্য প্রকাশে নিরুৎসাহিত হবে সংবাদকর্মীরা এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা।

‎সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

সত্যের পক্ষে কলম ধরার অপরাধে সাংবাদিককে হেয় প্রতিপন্নের চেষ্টা সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে

সময় ১০:২৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬



‎টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী লৌহজং নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দা দের কে অবৈধভাবে তাদের থেকে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক মোহাম্মদ সাজিদ পিয়ালকে সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত একদল চাঁদাবাজ ও স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

‎জানা যায়, লৌহজং নদীকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম চাঁদাবাজির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্নচাঁদাবাজ ও দালাল মহল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর থেকেই একটি বেনামি ফেসবুক পেজ থেকে সাংবাদিক মোহাম্মদ সাজিদ পিয়ালের ছবি বিকৃত করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে।

‎পাশাপাশি কুরুচিপূর্ণ ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ মানহানিকর মন্তব্য এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিক মহলের অভিযোগ এটি শুধু একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নয় বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ। কারণ একজন সংবাদকর্মী যখন জনস্বার্থে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, তখন তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কিংবা সামাজিকভাবে হেয় করে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি!

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক পিয়াল জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও অভিযোগ দায়েরের প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ‎এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

‎এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে একজন সাংবাদিক যদি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কলম ধরার কারণে ধারাবাহিকভাবে হয়রানির শিকার হন এবং অপরাধীরা যদি দীর্ঘ সময় ধরেও আইনের আওতায় না আসে তাহলে সমাজে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষ কীভাবে সোচ্চার হবে?

‎গণমাধ্যমকর্মীরা মনে করেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার হয়রানি মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায় সত্য প্রকাশে নিরুৎসাহিত হবে সংবাদকর্মীরা এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা।

‎সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।